1. forhad.one@gmail.com : Forhad Shikder : Forhad Shikder
  2. s.m.amanurrahman@gmail.com : pD97wRq9D9 :
পানির দামে বিক্রি হচ্ছে দুধ, লিটার ২৫ টাকা - Top News
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

পানির দামে বিক্রি হচ্ছে দুধ, লিটার ২৫ টাকা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৬৫ সময়

করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে রাজবাড়ীর গরুর খামারগুলোতে। যানবাহন, হোটেল ও মিষ্টির দোকান বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে পানির দামে দুধ বিক্রি করতে হচ্ছে খামারিদের। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

খামার মালিকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে কোম্পানি ও হোটেলগুলো এখন দুধ নিচ্ছে না। ফলে খামারের আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে দুধ বিতরণ করা হয়। বাকি দুধ কম দামে বিক্রি করতে হয়। এতে লোকসানে পড়ছেন তারা।

তাই ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের সুদ মওকুফ ও প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা ফান্ড দিতে অনুরোধ করেন খামারিরা। অপরদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, সাময়িক সময়ের জন্য খামারিদের সমস্যা হচ্ছে। ফলে উৎপাদিত দুধ দিয়ে ঘি তৈরি করে রাখা যায়।

জানা যায়, রাজবাড়ীতে ছোট-বড় প্রায় ৩শ খামার আছে। এরমধ্যে প্রায় ৮০টি বড় খামার। যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সব বন্ধ থাকায় দুধ নিচ্ছে না কেউ। এছাড়া গরুর খাবারেরও সংকট দেখা দিয়েছে। সব মিলিয়ে খামারের কর্মীদের বেতনও দিতে পারছেন না মালিকরা।

জেলার সবচেয়ে বড় ফার্ম সদর উপজেলার আলাদীপুরের এপিসোড এগ্রো লিমিটেড। যেখানে গরুর পরিচর্যার জন্য নিয়মিত প্রায় ২৮ জন শ্রমিক কাজ করেন। খামারে ২৯০টি গাভি, ২০৭টি বাছুর ও ২২০টি ষাড় আছে। প্রতিদিন প্রায় ৯ থেকে সাড়ে ৯শ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। আগে যেখা‌নে প্রায় ১৬শ লিটার উৎপাদন হ‌তো।

তবে যে দুধ উৎপাদন হ‌চ্ছে, তা-ও বাজারজাত করতে পারছেন না খামারি। ন্যায্যমূল্যে দুধ বিক্রি করতে না পেরে শ্রমিকদের মজুরি ও পরিবহন সংকটে গরুর খাবার নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। আগে প্রতিকেজি দুধ ৫০-৭০ টাকা বিক্রি হতো। এখন সেখানে প্রতিকেজি ২৫-৪০ টাকা বিক্রি করতে হয়।

খামারের শ্রমিকরা বলেন, ‘করোনার কারণে বেড়েছে গো-খা‌দ্যের দাম। দুধ বিক্রির টাকা দি‌য়েই গরুর খাবারসহ আমাদের বেতনাদি দিতেন খামার মা‌লিকরা। কিন্তু এখন ঠিকমত বেতন দিতে পারছেন না।’

এপিসোড এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান শাহিনুর বলেন, ‘এখন করোনাভাইরাসের কারণে কেউ দুধ নিচ্ছে না। প্রতিদিন খামারে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার বে‌শি খরচ। এখন সে খরচ মেটানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাই সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা খুবই দরকার।’

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক সরদার বলেন, ‘জেলায় বড় ধরনের প্রায় ৫০-৬০টি বড় গরুর ফার্ম আছে। সাময়িক সময়ে তারা একটু খারাপ অবস্থায় আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরকা‌রের ঘোষণা অনুযায়ী প্রণোদনা আসবে।’

প্রতিবেদন শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© All rights reserved © 2020 Top News
Theme Developed BY ThemesBazar.Com
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com